সর্বশেষ:

পাইকগাছায় লাইসেন্স ছাড়াই সর্বত্রই খুচরা দোকানে পেট্রোল অকটেন মজুত/ বাড়তি দামে বিক্রির অভিযোগ

Facebook
Twitter
LinkedIn

পাইকগাছা ( খুলনা ) প্রতিনিধি

খুলনার পাইকগাছা উপজেলায় সর্বত্রই খুচরা জ্বালানি তেলের দোকানগুলোতে পেট্রোল ও অকটেন মজুত থাকলেও সাধারণ ক্রেতাদের কাছে “তেল নেই” বলে ফিরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অথচ বিশেষ কিছু ক্রেতার কাছে বেশি দামে তেল বিক্রি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। এতে মোটরসাইকেল চালকসহ সাধারণ মানুষের মধ্যে অসন্তোষ ও ক্ষোভ বাড়ছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বিভিন্ন বাজার, সড়কের মোড় ও গ্রামীণ এলাকায় গড়ে ওঠা খুচরা দোকানগুলোতে বোতল ও গ্যালনে পেট্রোল ও অকটেন মজুত রয়েছে। তবে অনেক ক্ষেত্রে সাধারণ ক্রেতারা তেল কিনতে গেলে দোকানিরা “তেল নেই” বলে জানিয়ে দেন। পরে পরিচিত বা বিশেষ ক্রেতারা গেলে একই দোকান থেকে লিটারপ্রতি প্রায় ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা দামে তেল বিক্রি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ভুক্তভোগী কয়েকজন মোটরসাইকেল চালক জানান, তারা অনেক সময় একাধিক দোকানে ঘুরেও তেল পান না। কিন্তু কিছু সময় পর দেখা যায় একই দোকানে অন্যদের কাছে বেশি দামে তেল বিক্রি করা হচ্ছে। এতে সাধারণ ক্রেতারা চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন।স্থানীয়দের অভিযোগ, উপজেলায় অধিকাংশ খুচরা জ্বালানি তেলের দোকান কোনো বৈধ লাইসেন্স ছাড়াই ব্যবসা পরিচালনা করছে। নিয়ম অনুযায়ী দাহ্য পদার্থ বিক্রির ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট লাইসেন্স ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকার কথা থাকলেও অনেক দোকানি তা মানছেন না। লাইসেন্সবিহীন এসব দোকানে বিপুল পরিমাণ পেট্রোল ও অকটেন মজুত রাখা হচ্ছে, যা একদিকে নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করছে, অন্যদিকে বাজারে কৃত্রিম সংকটের সুযোগ তৈরি করছে।

এলাকাবাসী জানান, তেল মজুত থাকার পরও সাধারণ ক্রেতাদের কাছে বিক্রি না করে বেশি দামে বিক্রি করার প্রবণতা বাড়ছে। এতে মোটরসাইকেল চালক, ভ্যানচালকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে।

সচেতন মহলের মতে, প্রশাসনের নিয়মিত তদারকি না থাকায় লাইসেন্সবিহীন খুচরা জ্বালানি ব্যবসা দিন দিন বাড়ছে। বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে কৃত্রিম সংকট বন্ধ হবে এবং সাধারণ মানুষ ন্যায্যমূল্যে জ্বালানি তেল পাবে।এ ব্যাপারে এলাকাবাসী উপজেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তাদের দাবি, খুচরা দোকানে জ্বালানি তেল বিক্রির ক্ষেত্রে লাইসেন্স যাচাই, মজুত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ এবং অতিরিক্ত দামে বিক্রি বন্ধে অভিযান পরিচালনা করা হলে বাজারে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে আসবে।

Facebook
Twitter
LinkedIn

সর্বশেষ খবর

turan hossain rana