
খুলনার কয়রায় তুচ্ছ ঘটনার বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় নারীসহ ৪ জন আহত হয়েছেন। বুধবার সকালে উপজেলার আমাদী ইউনিয়নের দশবাড়ীয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার কয়রা থানায় আলমগীর, মিন্টু, শাহআলম ঢালী, সবার পিতা মৃত আজিজ ঢালী, আরাফাত, ফয়সাল হোসেন, গোলাম রসুলসহ ১৩ জনের নাম উল্লেখ করে বিবাদী করে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন মোঃ কামরুল ইসলাম পিতা মৃত কওসার ঢালী। প্রত্যক্ষদর্শী ও ভুক্তভোগীর পরিবার সূত্রে জানা যায়, কামরুল গাজীর মুরগীর বাচ্চা আলমগীরের ক্ষেতের মধ্যে প্রবেশ করে। তখন সে উত্তেজিত হয়ে কামরুলের পরিবারের লোকজনকে গালিগালাজ করে ও মারপিট করিতে উদ্যত হয়। পরবর্তীতে বিষয়টি স্থানীয় ভাবে মীমাংসা করিয়া নেয়। কিন্তু গতকাল সকালে কামরুলেরন স্ত্রী, পুত্র ও ছোট ভাইয়ের বৌ, ভাইপো একসঙ্গে সকালের খাবার খাওয়ার সময় তখ আলমগীর গংরা ধারালো দা, কুড়াল, লোহার রড ও লাঠিসোটা নিয়ে কামরুলের ঘরের মধ্যে প্রবেশ করে
তার পুত্রদের, স্ত্রী ও ভাইয়ের স্ত্রী সহ ভাইপোদের লোহার রড ও লাঠি দিয়া এলোপাতাড়ী মারপিট করে গুরুতর জখম করে। বিবাদীগন ঘরের মূল্যবান আসবাবপত্র ও সোকেজ ভাংচুর করে এবং সোকেজের মধ্যে জমি খরিদ করিবার জন্য গচ্ছিত
৫লাখ টাকা, জমির দলিল সহ মূল্যবান কাগজপত্র নিয়ে যায়। তাদের হাকচিৎকারে আশেপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে এসে বিবাদীগনের কবল হইতে কামরুলেরন পুত্রদের, স্ত্রী ও ভাইয়ের স্ত্রী সহ ভাইপোদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য ভর্তি করেন। কামরুলেট ভাইয়ের স্ত্রী নাজমা খাতুনের শারীরিক অবস্থা গুরুতর হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। এ ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন ভুক্তভোগীরা। এসব অভিযোগ জানতে অভিযুক্তের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে কল দিলে তা বন্ধ পাওয়া যায়। তবে এ ব্যাপারে আইনহত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে পুলিশ।















