সর্বশেষ:

paikgacha tailours e ognikando

পাইকগাছায় টেইলার্সে অগ্নিকাণ্ড/ ঈদের আগে পুড়ল স্বপ্ন, দুই লাখ টাকার ক্ষতি

paikgacha tailours e ognikando
Facebook
Twitter
LinkedIn

আলাউদ্দিন সোহাগ,পাইকগাছা ( খুলনা )

খুলনার পাইকগাছায় একটি টেইলার্স দোকানে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে দোকানে থাকা বিপুল পরিমাণ নতুন কাপড়, সেলাই মেশিন ও মূল্যবান মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। প্রাথমিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আনুমানিক দুই লাখ টাকা বলে ধারণা করা হচ্ছে। সোমবার দিবাগত রাতে উপজেলার রাড়ুলী ইউনিয়নের ষষ্ঠীতলা বাজারে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, টেইলার্স মালিক মো. আজিজুর রহমান লিটন প্রতিদিনের মতো সোমবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে দোকানের লাইট, ফ্যান বন্ধ করে এবং শাটার নামিয়ে বাড়ি চলে যান। এর কিছুক্ষণ পর, রাত আনুমানিক ১১টার দিকে স্থানীয় এক যুবক দোকানের শাটারের নিচ দিয়ে আগুনের শিখা ও ধোঁয়া বের হতে দেখেন। বিষয়টি টের পেয়ে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে দোকান মালিক লিটনকে মুঠোফোনে খবর দেন।

খবর পেয়ে লিটন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন এবং স্থানীয়দের সহায়তায় দোকানের শাটারের তালা খুলে ভেতরে প্রবেশ করেন। তবে ততক্ষণে আগুনের তীব্রতায় দোকানের ভেতরে থাকা কাস্টমারদের ঈদের অর্ডার করা বিপুল পরিমাণ শার্ট, পাঞ্জাবি, থ্রি-পিস, থান কাপড়, মূল্যবান সেলাই মেশিন এবং ইলেকট্রিক আয়রনসহ সমস্ত মালামাল পুড়ে সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যায়।
দোকান মালিক আজিজুর রহমান লিটন জানান, “সামনে ঈদ। ঈদ উপলক্ষে গ্রাহকদের অর্ডার করা অসংখ্য নতুন পোশাক ও দামি কাপড় দোকানে রাখা ছিল। আগুনে আমার সব শেষ হয়ে গেছে। আমি এখন মারাত্মক আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ে নিঃস্ব হয়ে গেলাম।” স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, আজিজুর রহমান লিটন একজন অত্যন্ত পরিশ্রমী ও সৎ ব্যবসায়ী। এই টেইলার্স ব্যবসার আয়ের ওপরই তাঁর পুরো পরিবারের জীবিকা নির্বাহ হতো। আকস্মিক এই দুর্ঘটনায় তাঁর উপার্জনের একমাত্র অবলম্বনটি হারিয়ে যাওয়ায় পরিবারটি এখন চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে। স্থানীয়দের প্রাথমিক ধারণা, দোকানের বৈদ্যুতিক লাইন বা কোনো পয়েন্টে শর্টসার্কিট থেকেই এই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। তবে ঈদের মৌসুম হওয়ায় এটি কোনো পরিকল্পিত নাশকতা কি না, সেই সম্ভাবনাও পুরোপুরি উড়িয়ে দিচ্ছেন না স্থানীয় ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসী।

এলাকাবাসী ও স্থানীয় ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করেছেন যে, এই সংকটাপন্ন মুহূর্তে সরকারি বা বেসরকারি কোনো আর্থিক সহযোগিতা কিংবা পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হলে লিটন আবারও ঘুরে দাঁড়াতে পারবেন এবং নতুন করে ব্যবসাটি শুরু করতে পারবেন। এ বিষয়ে খুলনা ফায়ার সার্ভিসের এক কর্মকর্তা জানান, ঘটনাটি তাদের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি। ফলে তারা ঘটনাস্থলে যেতে পারেননি এবং আগুনের সুনির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত কোনো মন্তব্য করতে পারেননি।

Facebook
Twitter
LinkedIn

সর্বশেষ খবর

turan hossain rana