সর্বশেষ:

নড়াইলে মৎস্য কর্মকর্তাকে মারধর ও কার্যালয়ে ভাঙচুরের অভিযোগ, থানায় মামলা

Facebook
Twitter
LinkedIn

মোঃ মনিরুজ্জামান চৌধুরী
নড়াইল প্রতিনিধি:

নড়াইল সদর উপজেলার সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আবু রায়হানকে মারধর, সরকারি কাজে বাধা এবং কার্যালয়ে ভাঙচুরের অভিযোগে মো. জিসানুর রহমানসহ অজ্ঞাত আরও ৪-৫ জনের বিরুদ্ধে নড়াইল সদর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।রোববার (২৮ জুন) রাতে সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আবু রায়হান বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অজয় কুমার কুন্ডু।

মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত জিসানুর রহমান নড়াইল সদর উপজেলার যদুনাথপুর গ্রামের টিপু সুলতানের ছেলে। তিনি বিভিন্ন সময় উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়ে গিয়ে অফিসের গোপনীয় তথ্য দাবি করতেন। চাহিদামতো তথ্য না পেলে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ ও গালিগালাজ করতেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

এজাহারে আরও বলা হয়, রোববার বিকেল প্রায় ৩টার দিকে জিসানুর রহমান ৪-৫ জনকে সঙ্গে নিয়ে সদর উপজেলা পরিষদ ভবনের তৃতীয় তলায় অবস্থিত মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়ে প্রবেশ করেন। এ সময় তারা জেলার সুবিধাভোগীদের প্রদর্শনী তালিকা দাবি করেন। পূর্বে তালিকা সরবরাহ করা হয়েছে বলে জানানো হলে জিসানুর ক্ষিপ্ত হয়ে মৎস্য কর্মকর্তাকে মারধর করেন এবং অফিসের ডেস্কটপ কম্পিউটার ও মনিটর ভাঙচুর করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আবু রায়হান বলেন, “জিসানুর বেশ কিছুদিন ধরেই আমার কার্যালয়ে এসে অযথা ঝামেলা করছেন। তিনি প্রদর্শনী বরাদ্দের দাবি করেন। কিন্তু এসব বরাদ্দ কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দেওয়া হয়, ব্যক্তিগতভাবে আমার দেওয়ার সুযোগ নেই। বিষয়টি বারবার বুঝিয়ে বলার পরও তিনি অফিসে এসে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেন। সর্বশেষ তিনি আমার কার্যালয়ে এসে মারধর ও ভাঙচুর করেছেন। তাই আমি থানায় মামলা করেছি।”তবে অভিযুক্ত জিসানুর রহমান তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

তার দাবি, তিনি বিভিন্ন তথ্যের জন্য মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়ে গেলেও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা পাননি। বরং মৎস্য কর্মকর্তা তার সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ ও গালিগালাজ করেছেন। তিনি বলেন, “আমি ঘটনাটি মোবাইল ফোনে রেকর্ড করছিলাম। তখন মৎস্য কর্মকর্তা আমার হাত থেকে ফোন কেড়ে নিয়ে ভেঙে ফেলেন এবং আমাকে মারধর করেন। আত্মরক্ষার সময় ধস্তাধস্তির মধ্যে কর্মকর্তার হাতের ধাক্কায় কম্পিউটার নিচে পড়ে ভেঙে যায়। পরে অফিসের কয়েকজন মিলে আমাকে মারধর করে এবং মামলা দেওয়ার হুমকি দেয়।”এ ঘটনায় উভয় পক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেছে। অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটিত হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

Facebook
Twitter
LinkedIn

সর্বশেষ খবর

turan hossain rana