সর্বশেষ:

chikitsokder chembere o haspatale rogir vir

দিনে গরম, রাতে শীত—রোগবালাইয়ে আক্রান্ত কালিয়ারর প্রত্যন্ত এলাকার মানুষ চিকিৎসকদের চেম্বার ও হাসপাতালে রোগীর ভিড়

chikitsokder chembere o haspatale rogir vir
Facebook
Twitter
LinkedIn

মোঃ মনিরুজ্জামান চৌধুরী নড়াইল

দিনে তীব্র গরম আর রাতে হঠাৎ ঠান্ডা আবহাওয়ার কারণে নড়াইলের কালিয়া উপজেলার নড়াগাতী এলাকার প্রত্যন্ত গ্রামগুলোতে বিভিন্ন ধরনের রোগবালাইয়ের প্রকোপ বেড়েছে। আবহাওয়ার এই অস্বাভাবিক পরিবর্তনের ফলে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে শিশু ও বয়স্ক মানুষ। এতে স্থানীয় চিকিৎসকদের চেম্বার এবং নিকটবর্তী হাসপাতালগুলোতে রোগীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। নড়াগাতী এলাকার কলাবাড়িয়া, জয়নগর, বাঐশোনা, খাশিয়াল, মাউলি ও পহরডাঙ্গা ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের মানুষের মধ্যে জ্বর, সর্দি-কাশি, ঠান্ডাজনিত সমস্যা, গলা ব্যথা ও শরীর ব্যথাসহ নানা উপসর্গ দেখা দিচ্ছে। দিনের তাপমাত্রা হঠাৎ বেড়ে যাওয়া এবং রাতের দিকে তা দ্রুত কমে যাওয়ার কারণে অনেকেই এই ঠান্ডা-গরমের বৈপরীত্যের সাথে খাপ খাওয়াতে না পেরে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন।

মূলশ্রী গ্রামের বাসিন্দা শাহীন বিশ্বাস জানান, গত কয়েকদিন ধরে এলাকায় অসুস্থ মানুষের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের মধ্যে জ্বর, ঠান্ডা ও কাশির প্রকোপ বেশি দেখা যাচ্ছে। অনেক পরিবারেই একাধিক সদস্য একই ধরনের অসুস্থতায় ভুগছেন। ফলে চিকিৎসা নিতে প্রতিদিনই মানুষ ছুটছেন স্থানীয় চিকিৎসকদের চেম্বার ও আশপাশের হাসপাতালগুলোতে। এলাকার গ্রাম্য চিকিৎসক রাসেল সিকদার জানান, মৌসুম পরিবর্তনের সময় এ ধরনের রোগের প্রকোপ সাধারণত বেড়ে যায়। দিনে প্রচণ্ড গরম এবং রাতে হঠাৎ ঠান্ডা অনুভূত হওয়ায় শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রার ভারসাম্য বিঘ্নিত হয়। এর ফলে সর্দি-কাশি, জ্বরসহ নানা ঠান্ডাজনিত রোগ দেখা দেয়। এ সময় শিশু ও বয়স্করা তুলনামূলক বেশি ঝুঁকিতে থাকেন।

চিকিৎসক ফারিয়া জামান বলেন, এ সময়ে সবাইকে কিছুটা সতর্ক থাকতে হবে। দিনের গরমে হালকা পোশাক পরলেও রাতের দিকে ঠান্ডা থেকে বাঁচতে পর্যাপ্ত গরম কাপড় ব্যবহার করা প্রয়োজন। পাশাপাশি ঠান্ডা খাবার পরিহার করা, নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকা এবং অসুস্থতার লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, আবহাওয়ার এই হঠাৎ পরিবর্তনের সময়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা এবং শিশু ও বয়স্কদের প্রতি বিশেষ যত্ন নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। সচেতনতা বৃদ্ধি পেলে অনেকাংশেই এ ধরনের মৌসুমি রোগের ঝুঁকি কমানো সম্ভব হবে।

Facebook
Twitter
LinkedIn

সর্বশেষ খবর

turan hossain rana