
নড়াইল প্রতিনিধি:
নড়াইলের কালিয়া উপজেলার মূলশ্রী গ্রামের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত প্রায় ১ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি খাল দীর্ঘদিন ধরে কচুরিপানা ও আবর্জনায় ভরাট হয়ে পড়েছে। খালটি আঠারোবাকি নদীর সঙ্গে সংযুক্ত হলেও বর্তমানে কচুরিপানার কারণে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হচ্ছে, ফলে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, খালটি দীর্ঘদিন পরিষ্কার না করায় সেখানে ব্যাপকভাবে কচুরিপানা জমে রয়েছে। এতে খালটি মশার প্রজননক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে এবং ডেঙ্গুসহ বিভিন্ন মশাবাহিত রোগের ঝুঁকি বেড়েছে। পাশাপাশি খালের পানি দূষিত হয়ে পড়ায় স্থানীয় বাসিন্দারা নানা ধরনের ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। এ অবস্থায় খালটি থেকে কচুরিপানা অপসারণ ও পরিষ্কারের দাবিতে কালিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত আবেদন করেছেন স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী মোঃ মনিরুজ্জামান চৌধুরী। আবেদনে তিনি জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং মশক নিধন কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করতে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান।
আবেদনে উল্লেখ করা হয়, প্রায় ১ কিলোমিটার দীর্ঘ খালটি দীর্ঘদিন সংস্কার ও পরিষ্কার না হওয়ায় এর স্বাভাবিক নাব্যতা নষ্ট হয়েছে। ফলে পানি নিষ্কাশনে সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে এবং আসন্ন বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। খালের স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে আনতে দ্রুত কচুরিপানা অপসারণ ও পরিষ্কার কার্যক্রম পরিচালনার দাবি জানান এলাকাবাসী। এ বিষয়ে স্থানীয়রা আশা প্রকাশ করে বলেন, উপজেলা প্রশাসন বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে দ্রুত খালটি পরিষ্কারের উদ্যোগ নেবে। এতে পরিবেশের উন্নয়ন ঘটবে এবং এলাকাবাসী স্বাস্থ্যঝুঁকি থেকেও অনেকাংশে মুক্তি পাবেন। এ প্রসঙ্গে কালিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ জিন্নাতুল ইসলাম বলেন, “বিষয়টি অত্যন্ত সময়োপযোগী। আমরা আবেদনটি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছি এবং দ্রুত সমস্যার সমাধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণে অঙ্গীকারাবদ্ধ।”















