২১ জুলাই, ২০২৪

সর্বশেষ:

সর্বশেষ:

জার্মানি ও ফ্রান্সকে করুণ পরিণতি

জার্মানি ও ফ্রান্সকে করুণ পরিণতি ভোগ করতে হবে: পুতিন

জার্মানি ও ফ্রান্সকে করুণ পরিণতি
Facebook
Twitter
LinkedIn

জার্মানি ও ফ্রান্সকে করুণ পরিণতি ভোগ করতে হবে: পুতিন | আবারো টেলিফোন সংলাপে রাশিয়া, জার্মানি ও ফ্রান্স

রাশিয়া, জার্মানি ও ফ্রান্সের মধ্যে দুর্মিল সম্পর্কের একটি নতুন পর্যালোচনা শুরু হয়েছে, এবং এই সম্পর্ক কোনো কঠিন পথে যাচ্ছে বলে প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন। এই সম্পর্কে আবারো টেলিফোন সংলাপে দুই পুরনো বন্ধু জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মার্কেল ও ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাঁক্রোর সাথে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিনের মধ্যে সাংস্কৃতিক সংস্কার হচ্ছে।

রাশিয়া ও পশ্চিম দেশগুলির মধ্যে সম্পর্ক স্থির রেখে আসার চেষ্টা করেছে, যেটি বিশেষভাবে উক্তির জন্য পর্যাপ্ত বিশেষজ্ঞতা আবাদ করে। এই সম্পর্কে আরও নতুন দিকগুলি যোগ হওয়ার পর, এখন প্রথম দ্বারা জার্মান চ্যান্সেলর এবং ফ্রান্সের প্রেসিডেন্টের সাথে সাক্ষাত্কার করতে সাক্ষাত্কার দরকার হবে।

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন বলেছেন, “আমরা এখন আমাদের সম্পর্কের নতুন সংস্করণে ঢুকতে চাই, এবং এই সম্পর্ক বেশ কিছুটা কঠিন সুরে এই সময়ে।” তিনি এই সম্পর্কে আরও বলেন, “আমরা কল্পনা করতে পারি, আমরা এটি সামাজিক সংস্কার এবং কোনও স্পষ্ট পরিকল্পনা ছাড়া ব্যাপার সমাধান করতে পারব।”

এই পর্যালোচনা শুরু হওয়ার সময়ে রাশিয়া, জার্মানি ও ফ্রান্সের মধ্যে সম্পর্কের মৌলিক দিকগুলির প্রস্তাবনা দেওয়া হচ্ছে, এর মধ্যে পরিষ্কার এবং সাবলীল সীমানা নির্ধারণ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তবে, এই পর্যালোচনা সম্মুখীন হওয়ার পর সম্পর্কের আরও বিস্তারিত পরিকল্পনা ও উদ্দেশ্য স্পষ্ট হতে হবে।

জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মার্কেল ও ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাঁক্রোর সাথে পুতিনের সংলাপের শুরু একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ, যেটি উভয় দিকে সম্পর্ক স্থির রাখার দিকে একটি ইচ্ছাশক্তি প্রদান করেছে। সম্পর্কের মৌলিক প্রস্তাবনা নির্ধারণ করার পর, দুটি দেশের নেতৃত্ব এখন এই সম্পর্ক কিভাবে বিকশিত করতে সক্ষম তা সুন্দরভাবে বিচার করতে যাচ্ছে।

জার্মানি ও ফ্রান্স এই সম্পর্কে উন্নত করার জন্য বেশ কিছু সময় ব্যয় করতে সম্মুখীন হতে পারে, তবে এই সম্পর্ক উভয় দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে এবং সুপরিচিত প্রশ্নগুলির সমাধানে সাহায্য করতে পারে।

সুতরাং, রাশিয়া, জার্মানি ও ফ্রান্সের মধ্যে সম্পর্কের এই নতুন পর্যালোচনা দেখা যাচ্ছে একটি আশাবাদী সংকেত হিসেবে, যা সম্পর্কের মৌলিক সংকেত হতে পারে। উভয় দেশের নেতৃত্বের পরিচয় এবং সম্পর্কের মাধ্যমে আরও পরিষ্কার ব্যাপারে দ্বিধা প্রতিক্রিয়া নেওয়া সম্ভব, এবং এটি সম্পর্ক স্থায়ীকরণে সাহায্য করতে পারে।

সমস্যা সমাধানের জন্য সম্পর্কের এই নতুন পর্যালোচনা বিশেষভাবে মৌলিক সমস্যা বের করতে সাহায্য করতে পারে এবং উভয় দেশের সামাজিক সংস্কারের মাধ্যমে সমাজ উন্নত করতে সাহায্য করতে পারে, যা দুটি দেশের লোকের জীবনে উন্নতির পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে সহায়ক হতে পারে।

Facebook
Twitter
LinkedIn

সর্বশেষ খবর

abu sufian
dainikbd-ads
Arup Juarder Khulna Batiaghata