সর্বশেষ:

সুন্দরবন রক্ষায় বটিয়াঘাটায় প্রশিক্ষণ ও অভিজ্ঞতা বিনিময় সভা

Facebook
Twitter
LinkedIn

বটিয়াঘাটা (খুলনা) প্রতিনিধি:

সুন্দরবনের পরিবেশ সংরক্ষণ ও দূষণ হ্রাসে সচেতনতা বাড়াতে খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলায় অনুষ্ঠিত হয়েছে প্রশিক্ষণ ও অভিজ্ঞতা বিনিময় সভা। বুধবার (২২ এপ্রিল ২০২৬) বটিয়াঘাটা ইউনিয়ন পরিষদ হলরুমে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।“Reducing Pollution and Improving the Ecology of the Sundarbans” শীর্ষক এ উদ্যোগটি জার্মান কোঅপারেশন, রূপান্তর ও হেলভেটাস জার্মানির সহযোগিতায় বাস্তবায়িত হয়। এতে শিক্ষক-শিক্ষিকা, পরিবেশকর্মী, সাংবাদিক, বিভিন্ন সংগঠনের সদস্যসহ স্থানীয় জনগণ অংশ নেন।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ইয়ুথ ফর সুন্দরবন বটিয়াঘাটা’র সহ-সভাপতি উদয় শংকর রায় এবং সভাপতিত্ব করেন সংগঠনটির সভাপতি নজরুল ইসলাম। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার শেখ আব্দুর রব।প্রধান অতিথি শেখ আব্দুর রব বলেন, “সুন্দরবন আমাদের দেশের প্রাকৃতিক সুরক্ষাবলয় ও জীববৈচিত্র্যের গুরুত্বপূর্ণ ভাণ্ডার। এই বন রক্ষা করা শুধু সরকারের দায়িত্ব নয়, বরং আমাদের সবার সম্মিলিত দায়িত্ব। পরিবেশ দূষণ রোধে শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি অভিভাবক ও সাধারণ মানুষকে আরও সচেতন করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে পরিবেশ শিক্ষা জোরদার করতে হবে, যাতে নতুন প্রজন্ম ছোটবেলা থেকেই প্রকৃতি সংরক্ষণের গুরুত্ব উপলব্ধি করতে পারে। প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, নদী দূষণ রোধ এবং টেকসই জীবনযাপন নিশ্চিত করতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। এ ধরনের প্রশিক্ষণ ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম সুন্দরবন রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”

এছাড়া রূপান্তরের প্রোজেক্ট কো-অর্ডিনেটর সাকি রেজওয়ান কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে প্রকল্পের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে ইয়ুথ ফর দ্য সুন্দরবনের সদস্যরা সভায় যোগ দেন। মসজিদের ইমাম, গৃহিণীসহ সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষও এতে অংশগ্রহণ করেন।
সভায় বক্তারা বলেন, সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য রক্ষা ও পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে দূষণ নিয়ন্ত্রণ অত্যন্ত জরুরি। নদী ও খাল-বিলের দূষণ, প্লাস্টিক বর্জ্য এবং অপরিকল্পিত কর্মকাণ্ড সুন্দরবনের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং স্থানীয় পর্যায়ে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
প্রশিক্ষণ পর্বে অংশগ্রহণকারীদের পরিবেশবান্ধব কার্যক্রম, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও টেকসই উন্নয়ন বিষয়ে ধারণা দেওয়া হয়। পাশাপাশি অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে স্থানীয় সমস্যা ও সম্ভাব্য সমাধান নিয়েও আলোচনা হয়।
আয়োজকরা জানান, এ ধরনের উদ্যোগ স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করে সুন্দরবন রক্ষায় দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সহায়ক হবে।

Facebook
Twitter
LinkedIn

সর্বশেষ খবর

turan hossain rana