সর্বশেষ:

মেট্রোপলিটন কলেজ খুলনায় অনার্স অধিভুক্তির নামে ৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

Facebook
Twitter
LinkedIn

নিজস্ব প্রতিবেদক, খুলনা:

খুলনার সোনাডাঙ্গা মেট্রোপলিটন কলেজে অনার্স কোর্সের অধিভুক্তি করে দেওয়ার কথা বলে ৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে কলেজের অনার্স পর্যায়ের প্রভাষক মো. জাহিদ হোসেনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় কলেজ কর্তৃপক্ষ লিখিত অভিযোগ দায়ের করে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রশাসনসহ বিভিন্ন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ও অধ্যক্ষ দিবাকর বাওয়ালী জানান, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে অনার্স কোর্স চালুর লক্ষ্যে অধিভুক্তি পেতে প্রয়োজনীয় খরচের কথা বলে প্রভাষক জাহিদ হোসেন কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছে অর্থ দাবি করেন। পরবর্তীতে শিক্ষক প্রতিনিধিসহ কয়েকজন শিক্ষকের উপস্থিতিতে তাকে মোট ৫ লাখ টাকা প্রদান করা হয়।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ২০২২ সালের ২১ মার্চ ৩ লাখ টাকা এবং একই বছরের ১৪ এপ্রিল ২ লাখ টাকা, মোট ৫ লাখ টাকা জাহিদ হোসেনকে দেওয়া হয়। এ অর্থ অধ্যক্ষের ব্যক্তিগত তহবিল থেকে প্রদান করা হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।অর্থ প্রদানের সময় উপস্থিত ছিলেন, শিক্ষক প্রতিনিধি চৌধুরী মহসিন উদ্দিন আহমেদ, সহকারী অধ্যাপক এস এম রওনাকুজ্জামান, প্রভাষক মাহবুবুর রহমান মোড়ল, প্রভাষক সুলতান আহমেদ, প্রভাষক কবির হোসেন, প্রভাষক এস এম শফিকুল ইসলাম, প্রভাষক মিহির কান্তি মণ্ডলসহ অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ। দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও অনার্স অধিভুক্তির কোনো অগ্রগতি দেখাতে পারেননি জাহিদ হোসেন। পাশাপাশি তিনি গ্রহণ করা অর্থের কোনো সুনির্দিষ্ট হিসাবও দেয়নি তিনি।
এছাড়া অভিযোগে দাবি করা হয়, অর্থ গ্রহণের বিষয়ে জাহিদ হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট কয়েকজন শিক্ষক লিখিত স্বীকারোক্তি দিয়েছেন এবং অর্থ লেনদেন সংক্রান্ত দলিল ও আলামত কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছে সংরক্ষিত রয়েছে।

কলেজ অধ্যক্ষ দিবাকর বাওয়ালী অভিযোগ করেন, টাকা ফেরত চাইলে তাকে বিভিন্ন ভাবে হুমকি দেওয়া হচ্ছে এবং কলেজে প্রবেশে বাধা সৃষ্টি করা হচ্ছে। এমনকি মোবাইল ফোনের মাধ্যমে প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। এ ঘটনায় কলেজ কর্তৃপক্ষ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। অভিযোগের বিষয়ে প্রভাষক মো. জাহিদ হোসেনের বক্তব্য জানার জন্য একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ঘে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

Facebook
Twitter
LinkedIn

সর্বশেষ খবর

turan hossain rana