
আলাউদ্দিন সোহাগ,পাইকগাছা ( খুলনা)
খুলনার পাইকগাছায় সরবরাহ করার সময় বিপুল পরিমাণ পারশে পোনা জব্দ করা হয়েছে। পরে জব্দকৃত পোনা নদীতে অবমুক্ত করা হয়।মৎস্য সম্পদ সুরক্ষা ও সংরক্ষনে মৎস্য আইন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে মৎস্য দপ্তর ও নৌ পুলিশ ৬ মে বুধবার দুপুরে উপজেলার শিববাটী ব্রীজ সংলগ্ন এলাকায় যৌথ অভিযান পরিচালনা করেন। সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার নেতৃত্বে বিশেষ এ অভিযানে সরবরাহ করার সময় সুন্দরবন ও এর আশপাশ এলাকার নদ-নদী থেকে সংগ্রহ করা বিপুল পরিমাণ পারশে জব্দ করা হয়। পরে জব্দকৃত পোনা শিবসা নদীতে অবমুক্ত করা হয় এবং এধরনের অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানান সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সৈকত মল্লিক। এসময় উপস্থিত ছিলেন নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ও ক্ষেত্র সহকারী রণধীর সরকার।
উল্লেখ্য সরকারি নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে এলাকার কিছু সংখ্যক মানুষ সুন্দরবন এবং সুন্দরবন সংলগ্ন নদ-নদী থেকে পারশে সহ বিভিন্ন প্রজাতির পোনা আহরণ করে এলাকার মৎস্য চাষি এবং চিংড়ি ঘেরে সরবরাহ করে থাকে। ইতোমধ্যে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট লোনাপানি কেন্দ্রের বিজ্ঞানীরা পারশে মাছের কৃত্রিম উপায়ে পোনা উৎপাদন প্রযুক্তি উদ্ভাবন করলে ও বাণিজ্যিক ভাবে গড়ে ওঠেনি হ্যাচারি কিংবা ব্যক্তি পর্যায়ের কোন প্রতিষ্ঠান। যার ফলে এলাকার হাজার হাজার ঘের ব্যবসায়ীরা পারশে মাছের পোনার জন্য এখনো প্রাকৃতিক উৎসের উপর নির্ভর করতে হয়। এলাকায় প্রচুর পারশে পোনার চাহিদা থাকায় বাগদা এবং গলদা চিংড়ির মতো বাণিজ্যিক ভাবে হ্যাচারিতে পারশে পোনা উৎপাদন জরুরি। এ ক্ষেত্রে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে অনেক উদ্দোক্তা এগিয়ে আসতো বলে মনে করছেন উপকূলীয় এলাকার চিংড়ী চাষিরা।















