
খুলনার কয়রা বাজারের ব্যবসায়ী এবং পুলিশ প্রশাসনের মধ্যকার সাম্প্রতিক ভুল বোঝাবুঝি ও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার অবসান ঘটেছে। গত শুক্রুবার (৮ মে) বাজারে দোকানের সামনে পুলিশের মোটরসাইকেল রাখা নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে এ ঘটনার সূত্রপাত হয়। কয়রা বাজারের ব্যবসায়ী আসাদ ও কয়রা থানায় কর্মরত এএসআই ফজলু এবং আকাশের মধ্যে ঘটে যাওয়া ঘটনাকে কেন্দ্র করে যে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছিল, আজ এক ফলপ্রসূ মতবিনিময় সভার মাধ্যমে তার সুষ্ঠু সমাধান হয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কয়রা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহোদয়ের নিরপেক্ষ ও দায়িত্বশীল ভূমিকার প্রশংসা করেছেন উপস্থিত ব্যবসায়ীরা।
‘কয়রা বাজার ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির’ সভাপতি সরদার জুলফিকার আলম বলেন, “গত শুক্রুবার আমাদের ব্যবসায়ী আসাদ এবং কয়রা থানার দুই এএসআই ফজলু ও আকাশের সাথে গাড়ি পার্কিং নিয়ে তর্কাতর্কি হয় জুম্মার নামাযের আগে, কিন্তু সেসময় তাদের মধ্যে বড় ধরনের কোন সমস্যার সৃষ্টি না হলেও প্রতিশোধ নেয়ার বশবর্তী হয়ে বিকাল বেলায় এএসআই ফজলু ও আকাশ ব্যবসায়ী আসাদকে ফোন দিয়ে বলে ওসি স্যার আপনাকে দেখা করতে বলেছে, ব্যবসায়ী আসাদ থানার সামনে গেলে এএসআই ফজলু ও আকাশ পরিকল্পিতভাবে তাকে মারধর ও হেনস্থা করতে থাকেন, উক্ত ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের দাবিতে আজ রবিবার কয়রা বাজার ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির উদ্যোগে (১০ মে) কয়রা বাজারের সব ধরনের দোকানপাট অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য বন্ধ ঘোষণা ও মানববন্ধন কর্মসূচির আহবান করা হয়”।
তিনি আরো জানান, “আজকে সকালে আমাদের ঘোষিত কর্মসূচি সফলভাবে পালন করছিলাম, এমতাবস্থায় কয়রা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ আলম সাহবের সাথে ব্যবসায়ীদের নিয়ে মতবিনিময়ের মাধ্যমে আমরা জনস্বার্থ ও ব্যবসায়িক স্থিতিশীলতার কথা বিবেচনা করে পূর্বঘোষিত সকল ধর্মঘট প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছি এবং বাজারের স্বাভাবিক কার্যক্রমে সকল ব্যবসায়ীরা অংশগ্রহণ করেছেন”।
এদিকে উদ্ভুত ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে অভিযুক্ত দুই এএসআই ফজলু ও আকাশকে খুলনা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে ক্লোজ করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন কয়রা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ আলম।















