
আলাউদ্দিন সোহাগ,পাইকগাছা ( খুলনা )
আঞ্চলিক কবি ও শিক্ষক মুনসুর হাসান। পিতা-মৃত কোনাই গাজী। মাতা- মোছাঃ মাদারুন্নেসা। তিনি ২২ নভেম্বর ১৯৫৬ খুলনা জেলার পাইকগাছা উপজেলার সরল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। শিক্ষাজীবনে পাইকগাছা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি (১৯৭২), পাইকগাছা কলেজ থেকে এইচএসসি (১৯৭৪) ও স্নাতক (১৯৮৫) পাশ করেন। তিনি দীর্ঘদিন যাবৎ পাইকগাছা টাউন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক হিসেবে সুনামের সহিত দায়িত্ব পালন করেছেন।
স্ত্রী ছায়েরা খাতুনের সহযোগিতায় সাহিত্য চর্চা ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত নিজেকে জড়িয়ে রেখেছিলেন। মেয়ে সুজানা নাসরীন হীরা ও পুত্র শাহরিয়ার আজমীর সোহানের সান্নিধ্য তাঁর সাহিত্য চর্চায় প্রাণ এনে দেয়। তাঁর লেখা প্রকাশিত হয় স্থানীয় ও জাতীয় পত্র পত্রিকায়। সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে তাঁর সুনাম। যা তাঁকে এনে দেয় বিভিন্ন সম্মাননা। পাইকগাছা উপজেলা পরিষদে এক সংবর্ধনায় অর্জন করেন ‘শ্রেষ্ঠ আঞ্চলিক কবি’র বিরল উপাধি। বাংলাদেশে কবি পরিষদ থেকে পান ‘প্রকৃতির কবি’ উপাধি। কবি হিসেবে সংবর্ধনা ও সম্মাননা দেয় পাইকগাছা নাগরিক সমাজ, পাইকগাছা অংকুর পরিষদ ও সুকান্ত সাংস্কৃতিক পরিষদসহ অনেক প্রতিষ্ঠান। ‘স্মৃতির নীল পদ্ম’ তাঁর লেখা প্রথম কাব্যগ্রন্থ। প্রকাশিত হ’ল দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ বিশ্ব রূপের বাংলাদেশ,দানবীর মেহের মুসুল্লির জীবনী । তিনি পাইকগাছা মৌচাক সাহিত্য সংসদের সভাপতি, কপোতাক্ষ সাহিত্য পরিষদের নির্বাহী সম্পাদক, সাহিত্য দর্পণের আঞ্চলিক প্রতিনিধি, সরল দীঘির পাড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নির্বাচিত সভাপতি (৪বার)। তিনি একজন নাট্যকার, গীতিকার, কথাসাহিত্যিক এবং স্বনামধন্য আঞ্চলিক কবি। তিনি গাঙচিল সাহিত্য সংস্কৃতি পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির আজীবন সদস্য ও পাইকগাছা শাখার সিনিয়র সহ-সভাপতি। তিনি স্ট্রোকজনিত কারনে সোমবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে খুলনার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন।















