সর্বশেষ:

কন্যা সন্তান বিক্রির সিদ্ধান্ত থেকে ফিরে আশা—অসহায় আত্তাব গাজীর পাশে মানবিক সহায়তা বিএনপি নেতার জীবন বাঁচাতে এগিয়ে এলেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক

Facebook
Twitter
LinkedIn

এস,এম,আলাউদ্দিন সোহাগ, পাইকগাছা (খুলনা)

খুলনার পাইকগাছা উপজেলার কপিলমুনি ইউনিয়নের রেজাকপুর গ্রামে এক হৃদয়বিদারক মানবিক সংকটের মধ্যে আশার আলো জ্বালালেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সোলাদানা ইউপি চেয়ারম্যান এস এম এনামুল হক। দুরারোগ্য লিভার টিউমার ও সিরোসিসে আক্রান্ত স্বেচ্ছাসেবক দলের ত্যাগী নেতা আত্তাব গাজী (৪৫) দীর্ঘদিন ধরে অর্থাভাবে চিকিৎসা বঞ্চিত হয়ে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে ছিলেন।

অসহায় পরিবারে স্ত্রী শাহিদা খাতুন ও চার কন্যা সন্তান নিয়ে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটছিল তার। স্বামীর চিকিৎসার খরচ জোগাতে উপায়ান্ত না পেয়ে ছোট কন্যা সন্তানকে বিক্রি করার মতো কঠিন সিদ্ধান্তও নিতে বাধ্য হয় পরিবারটি। এ ঘটনা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশ পেলে বিষয়টি নজরে আসে এস এম এনামুল হকের।

রবিবার (২৯ মার্চ) দুপুরে তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ছুটে যান এবং চিকিৎসাধীন আত্তাব গাজীর খোঁজখবর নেন। এ সময় তিনি তাৎক্ষণিকভাবে চিকিৎসার জন্য নিজ উদ্যোগে নগদ ৫০ হাজার টাকা আত্তাব গাজীর স্ত্রী শাহিদা খাতুনের হাতে তুলে দেন। পাশাপাশি উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনায় স্থানান্তরের ব্যবস্থা করেন এবং প্রয়োজনে ভারতে পাঠানোর উদ্যোগও গ্রহণ করেছেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব এস এম ইমদাদুল হক, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কামাল আহমেদ সেলিম নেওয়াজ, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি সাজ্জাদ হোসেন মানিক, ভারপ্রাপ্ত ইউপি চেয়ারম্যান পিযুষ কান্তি মন্ডল যজ্ঞেশ্বর কার্তিক, ফয়সাল রাশেদ সনি, লিটন খান, শেখ জাহিদুর রহমান, আবুল বাসার বাচ্চু,বাবুল, ইউপি সদস্য শেখর ঢালী, শামিম জোয়াদ্দার, কিশোর কুমার, ওবায়দুল্লাহ, সোহেল, আয়ুব জোয়াদ্দার, তরিকুল ইসলাম, বেল্লাল হোসেন, খান ছোটন, বিহারী বাবু সহ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ আত্তাব গাজীর চিকিৎসা প্রায় বন্ধ হয়ে গিয়েছিল অর্থাভাবে। এনামুল হকের এই মানবিক সহায়তায় পরিবারটিতে নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন জেগেছে। চার কন্যা সন্তান ও স্ত্রী এখন কৃতজ্ঞতায় আবেগাপ্লুত।রেজাকপুরের একটি ছোট্ট কুঁড়েঘরে বসবাস করা এই পরিবারের আর্তনাদ যেন একসময় হারিয়ে যাচ্ছিল নিরবতায়। তবে মানবিক উদ্যোগে সেই নীরবতার মাঝেই ফিরে এসেছে আশার আলো—একজন স্বামী বাঁচতে চায়, এক মা লড়ে যাচ্ছেন, আর চারটি নিষ্পাপ কন্যা তাকিয়ে আছে নতুন ভবিষ্যতের দিকে।

Facebook
Twitter
LinkedIn

সর্বশেষ খবর

turan hossain rana