সর্বশেষ:

প্রতাপ ঘোষের দায়ের করা মামলায় বেকসুর খালাস বটিয়াঘাটার ১০ সাংবাদিক, মিথ্যা অভিযোগ প্রমাণিত

Facebook
Twitter
LinkedIn

বটিয়াঘাটা প্রতিনিধিঃ

খুলনার বটিয়াঘাটায় উপজেলা প্রেসক্লাবের কথিত সাংবাদিক প্রতাপ ঘোষের দায়ের করা একটি মামলায় বেকসুর খালাস পেয়েছেন বটিয়াঘাটার ১০ জন সাংবাদিক। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালতের এ রায়ে স্বস্তি ফিরেছে সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকদের মাঝে এবং স্থানীয় সাংবাদিক সমাজে ন্যায় বিচারের প্রতিফলন ঘটেছে বলে মনে করছেন অনেকে।

মামলার এজাহারে প্রতাপ ঘোষ উল্লেখ করেছিলেন, অভিযুক্ত এই দশ সাংবাদিক তার অফিসে জোরপূর্বক প্রবেশ করে তাকে মারধর করেন। তবে বিচারিক প্রক্রিয়ায় উপস্থাপিত তথ্য-প্রমাণ ও সাক্ষ্য-প্রমাণে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত না হওয়ায় আদালত অভিযুক্ত সাংবাদিকদের বেকসুর খালাস প্রদান করেন। আদালতের রায়ে স্পষ্ট হয়েছে যে, অভিযোগের যথাযথ ভিত্তি পাওয়া যায়নি।

জানা যায়, ২০২২ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় এ মামলাটি দায়ের করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, তৎকালীন হুইপ পঞ্চানন বিশ্বাসের ঘনিষ্ঠ পরিচয় ব্যবহার করে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে মূলধারার সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে বিএনপি-জামাত সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ তুলে এ মামলা করা হয়। সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকদের দাবি, এটি ছিল সে সময়ের ক্ষমতার অপব্যবহার এবং সাংবাদিকদের হয়রানি করার একটি প্রচেষ্টা।

এই মামলায় আসামি করা হয় বটিয়াঘাটা প্রেসক্লাবের তৎকালীন সভাপতি কবির আহমেদ খান, দৈনিক প্রবাহের সাংবাদিক মনিরুজ্জামান, সময়ের খবরের সাংবাদিক ইমরান হোসেন সুমন, দৈনিক সংগ্রাম ও দৈনিক জন্মভূমির সাংবাদিক তরিকুল ইসলাম, দৈনিক আমার সংবাদের সাংবাদিক মইদুল ইসলাম শাহীন, দৈনিক আজকের পত্রিকা ও দৈনিক খুলনা গেজেটের সাংবাদিক হীরামন মন্ডল সাগর, দৈনিক লোক সমাজের সাংবাদিক আহসান কোভিদ, দৈনিক ইনকিলাব ও দৈনিক খুলনা গেজেটের সাংবাদিক তুরান হোসেন রানা, অপরাধ অনুসন্ধানের সাংবাদিক অজিত রায় এবং দৈনিক অনির্বাণের সাংবাদিক অবলেন্দু বিশ্বাস।

খালাস প্রাপ্ত সাংবাদিকরা জানান, শুরু থেকেই তারা নির্দোষ ছিলেন এবং আদালতের রায়ে সেটিই প্রমাণিত হয়েছে। তারা বলেন, সত্য কখনো চাপা থাকে না। দীর্ঘদিন ধরে একটি মিথ্যা মামলার বোঝা বহন করতে হয়েছে, তবে শেষ পর্যন্ত ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
স্থানীয় সাংবাদিক মহল আদালতের এই রায়কে স্বাগত জানিয়ে বলেন, এটি সত্য ও ন্যায়ের বিজয়। তারা আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা দায়েরের প্রবণতা বন্ধ হবে এবং সাংবাদিকরা নির্ভয়ে তাদের পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে পারবেন।

Facebook
Twitter
LinkedIn

সর্বশেষ খবর

turan hossain rana