
বিশেষ প্রতিনিধি, খুলনা:
খুলনা থেকে প্রকাশিত সম্প্রতি দৈনিক সময়ের খবর পত্রিকায় ডুমুরিয়া উপজেলার একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রকাশিত সংবাদের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা, প্রতিবাদ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগী মৃত্যুঞ্জয় মন্ডল ও তার পরিবার। প্রতিবাদ লিপিতে তারা অভিযোগ করেন, উক্ত সংবাদে তথ্য উপস্থাপনে অসত্য, একপাক্ষিক ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত বক্তব্য তুলে ধরা হয়েছে। সংবাদে ঘটনাটিকে “স্বামীর পরকীয়ায় বাধা দেওয়ায় স্ত্রীকে পিটিয়ে জখম” হিসেবে উপস্থাপন করা হলেও বাস্তবে বিষয়টি সম্পূর্ণ ভিন্ন এবং অতিরঞ্জিত বলে দাবি করেন তারা। একটি সাধারণপারিবারিক বিরোধকে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করে একটি পক্ষকে দোষী সাব্যস্ত করার চেষ্টা করা হয়েছে।
মৃত্যুঞ্জয় মন্ডল ও তার পরিবারের দাবি, প্রকাশিত সংবাদের অধিকাংশ তথ্যই যথাযথ যাচাই-বাছাই ছাড়াই সংবাদটি প্রকাশ করা হয়েছে। বিশেষ করে পরকীয়া, নির্যাতন ও হত্যাচেষ্টার মতো গুরুতর অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, পারিবারিক কিছু ভুল বোঝাবুঝি ও কলহ থাকলেও সেটিকে ইচ্ছাকৃতভাবে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করে বিভ্রান্তিকর সংবাদ তৈরি করা হয়েছে। মৃত্যুঞ্জয়ের পিতা, স্থানীয়ভাবে সুপরিচিত সার্ভেয়ার অর্জুন কুমার মন্ডল বলেন, দীর্ঘ দশ বছর পূর্বে ডুমুরিয়া উপজেলার মাগুরখালী ইউনিয়নের খরেরাবাদ গ্রামের মৃত রঞ্জন ঢালীর ছোট মেয়ে প্রিয়া ঢালীর সাথে আমার ছেলে মৃত্যুঞ্জয়ের সাথে হিন্দু ধর্মীয় মতে বিবাহ হয়। আমার ছেলে শিক্ষাগত যোগ্যতায় মাস্টার্স পাশ এবং সে নিজেই একজন সার্ভেয়ার। পুত্রবধূ ও দাদু ভাই সহ সপরিবারে শান্তিপূর্ণভাবে সংসার করছিলাম। কিন্তু মৃত্যুঞ্জয়ের শ্বশুর বাড়ির কিছু আত্মীয়-স্বজন ও পাড়া-প্রতিবেশীর কু পরামর্শে নিজেদের স্বার্থে এই সংসারকে অশান্ত করতে উঠে-পড়ে লেগেছে।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, সংবাদে তার দাদু ভাই মুগ্ধ মন্ডলকে জোর করে মামার বাড়ি থেকে আনার বিষয়টি উল্লেখ করা হলেও সেটি সম্পূর্ণ মিথ্যা। বর্তমানে আমার দাদু ভাই মুগ্ধ মন্ডল নিজ বাড়ি শম্ভুনগর গ্রামে রয়েছে। তিনি প্রকৃত ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়ে বলেন, যারা আমাদের সুন্দর ও সুখের সংসার নষ্ট করতে অপপ্রচার চালাচ্ছে। তাদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত। প্রতিবাদকারী মৃত্যুঞ্জয় মন্ডল বলেন, কোনো ঘটনার সঠিক তদন্ত ও উভয় পক্ষের বক্তব্য গ্রহণ না করে সংবাদ প্রকাশ করলে তা জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে এবং নিরপরাধ ব্যক্তির সামাজিক সম্মান ক্ষুণ্ন হয়। তিনি উক্ত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। এছাড়া ভবিষ্যতে এ ধরনের ভিত্তিহীন ও পক্ষপাতমূলক সংবাদ প্রকাশ থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানান। প্রয়োজনে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের কথাও উল্লেখ করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার। পাশাপাশি ভুক্তভোগী পরিবার জরুরী ভিত্তিতে দোষীদের বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন।















