
ফরিদগঞ্জে চাঁদপুর প্রতিনিধি;
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে মাদকের ভয়াল থাবায় প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে চুরি ডাকাতি ছিনতাইয়ের মতো ঘটনা। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা থাকলেও মাঠে থেমে থাকেনি মাদকসেবীরা। তারা নানা কৌশলে একের পর এক অপরাধ কর্মকাণ্ড করেই যাচ্ছে । অপরাধীরা চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি, ধর্ষণ, খুন, মাদক বাণিজ্যসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িয়ে পড়েছে । এমনকি নেশার টাকা জোগাড় করার জন্য তারা পরিবারে অশান্তি সৃষ্টি করছে।
সম্প্রতি ফরিদগঞ্জ পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ড ভাটিয়ালপুর চৌরাস্তার গাইনের বাড়ীর মৃত আবুল বাশারের ছেলে রুবেল (৩০) সিএনজির ব্যাটারী চুরি করতে গিয়ে সিসি ক্যামেরা ফুটেজে শনাক্ত হয়েছে। এবং চুরির সাথে তার সম্পৃক্ততা আছে মর্মে প্রমাণও পাওয়া গিয়েছে। তার সাথে সহযোগী হিসেবে হেলানসহ কয়েকজনের নাম বলেছে। যদিও পরবর্তীতে হেলালের বক্তব্য নেয়া হলে রুবেলের সহযোগী হিসেবে তার সম্পৃক্ততা থাকার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগীরা জানান, অন্ধকার নেমে আসলেই মধ্যরাতে চুরি ডাকাতি করে থাকে তারা।সিএনজির ব্যাটারী চুরি হতে শুরু করে মসজিদের মাইকের ব্যাটারীও কিছুদিন পরপর এসব এলাকায় চুরি হচ্ছে। বিশেষ করে মাদকের সাথে তাদের সম্পৃক্ততা থাকার কারণে নেশার টাকার জন্য তারা এমন কাজ করে থাকে। আমরা দিনদিন মাদকসেবিদের দ্বারা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছি। প্রশাসনের কাছে এসব মাদকসেবীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়াওসহ দ্রুত উপযুক্ত বিচার ও শাস্তি কামনা করছি। আমরা চাই এলাকায় শান্তিমতো বসবাস করতে।
অনুসন্ধানে আরো জানা যায়, মাদকের ভয়াল থাবায় উপজেলার রপসা ও বর্ডার বাজার এলাকায়ও দিনদিন মাদকের আখড়ায় পরিনত হচ্ছে। কোনোভাবেই তাদের থামানো যাচ্ছে না। যৌথবাহিনীর তৎপরতা থাকলেও নানা কৌশলে তারা এসব অপকর্মে প্রায়ই লিপ্ত হচ্ছে। যৌথবাহিনী তাদের গ্রেপ্তার করলেও জেল থেকে বেরিয়ে তারা একই কাজ আবার করছে।
জানা যায়, মাদকের টাকা সংগ্রহ করার জন্য যেকোনো কাজ করতে পারে তারা। ঘরের স্ত্রীও তাদের হাত থেকে রেহাই পায় না। টাকা দিতে ব্যর্থ হলে তাদের ওপর নেমে আসে অমানুষিক শারীরিক মানসিক নির্যাতন।
এ বিষয়ে ফরিদগঞ্জ থানা পুলিশ প্রশাসন ও দায়িত্বরত সেনাবাহিনীর সাথে কথা বলে জানা যায়, আমাদের অভিযান অব্যাহত আছে। মাদকের সাথে যাদের সম্পৃক্ততা পাওয়া যাবে অভিযোগ পেলেই তাদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। ভাটিয়ালপুর এলাকাসহ ফরিদগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় এর পূর্বে এমন ঘটনার সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে আমরা আইনানুযায়ী অপরাধীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছি ভবিষ্যতেও নেবো।
সম্প্রতি ফরিদগঞ্জ পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ড ভাটিয়ালপুর চৌরাস্তার গাইনের বাড়ীর মৃত আবুল বাশারের ছেলে রুবেল (৩০) সিএনজির ব্যাটারী চুরি করতে গিয়ে সিসি ক্যামেরা ফুটেজে শনাক্ত হয়েছে। এবং চুরির সাথে তার সম্পৃক্ততা আছে মর্মে প্রমাণও পাওয়া গিয়েছে। তার সাথে সহযোগী হিসেবে হেলানসহ কয়েকজনের নাম বলেছে। যদিও পরবর্তীতে হেলালের বক্তব্য নেয়া হলে রুবেলের সহযোগী হিসেবে তার সম্পৃক্ততা থাকার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগীরা জানান, অন্ধকার নেমে আসলেই মধ্যরাতে চুরি ডাকাতি করে থাকে তারা।সিএনজির ব্যাটারী চুরি হতে শুরু করে মসজিদের মাইকের ব্যাটারীও কিছুদিন পরপর এসব এলাকায় চুরি হচ্ছে। বিশেষ করে মাদকের সাথে তাদের সম্পৃক্ততা থাকার কারণে নেশার টাকার জন্য তারা এমন কাজ করে থাকে। আমরা দিনদিন মাদকসেবিদের দ্বারা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছি। প্রশাসনের কাছে এসব মাদকসেবীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়াওসহ দ্রুত উপযুক্ত বিচার ও শাস্তি কামনা করছি। আমরা চাই এলাকায় শান্তিমতো বসবাস করতে।
অনুসন্ধানে আরো জানা যায়, মাদকের ভয়াল থাবায় উপজেলার রপসা ও বর্ডার বাজার এলাকায়ও দিনদিন মাদকের আখড়ায় পরিনত হচ্ছে। কোনোভাবেই তাদের থামানো যাচ্ছে না। যৌথবাহিনীর তৎপরতা থাকলেও নানা কৌশলে তারা এসব অপকর্মে প্রায়ই লিপ্ত হচ্ছে। যৌথবাহিনী তাদের গ্রেপ্তার করলেও জেল থেকে বেরিয়ে তারা একই কাজ আবার করছে।
জানা যায়, মাদকের টাকা সংগ্রহ করার জন্য যেকোনো কাজ করতে পারে তারা। ঘরের স্ত্রীও তাদের হাত থেকে রেহাই পায় না। টাকা দিতে ব্যর্থ হলে তাদের ওপর নেমে আসে অমানুষিক শারীরিক মানসিক নির্যাতন।
এ বিষয়ে ফরিদগঞ্জ থানা পুলিশ প্রশাসন ও দায়িত্বরত সেনাবাহিনীর সাথে কথা বলে জানা যায়, আমাদের অভিযান অব্যাহত আছে। মাদকের সাথে যাদের সম্পৃক্ততা পাওয়া যাবে অভিযোগ পেলেই তাদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। ভাটিয়ালপুর এলাকাসহ ফরিদগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় এর পূর্বে এমন ঘটনার সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে আমরা আইনানুযায়ী অপরাধীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছি ভবিষ্যতেও নেবো।















