নিজস্ব প্রতিবেদক:
খুলনার একটি গ্রামে প্রতিবেশীর ঘরে রাখা লক্ষ্মীঘটের টাকা একটি শিশুকে দিয়ে নিয়ে আসার অভিযোগ উঠেছে এক গৃহবধূর বিরুদ্ধে। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে সালিশের মাধ্যমে আংশিক টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে।জানা যায়, সুন্দরমহাল গ্রামের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা হাসিব বিশ্বাসের স্ত্রী দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবেশী মইনুদ্দিন গাজীর পরিবারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে মেলামেশা করতেন। অভিযোগ রয়েছে, মইনুদ্দিন গাজীর প্রায় ৫ বছর বয়সী মেয়েকে বিভিন্ন সময় প্রলোভন দেখিয়ে তার মায়ের লক্ষ্মীঘটে রাখা টাকা বের করে আনতে বলা হতো।
পরিবারের দাবি, হাঁসের খামার থেকে পাওয়া বিক্রির টাকা লক্ষ্মীঘটে জমা রাখা ছিল। সেই টাকা থেকে শিশুটি বিভিন্ন সময় ১০০০, ৫০০, ২০০ ও ১০০ টাকার নোট এনে হাসিবের স্ত্রীর দোকান থেকে মিষ্টি খেত। অভিযোগ রয়েছে, ওই টাকার একটি অংশ দিয়ে দোকানের জন্য মুদি মালামালও কেনা হয়। এভাবে প্রায় ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা খরচ হয়ে যায় বলে দাবি ভুক্তভোগী পরিবারের।
এক পর্যায়ে শিশুটি বিষয়টি তার পরিবারের কাছে স্বীকার করলে ঘটনাটি প্রকাশ পায়। পরে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে সালিশ বৈঠক হয়। সালিশে হাসিবের স্ত্রী ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে আনুমানিক ৬ হাজার টাকা ফেরত দেন এবং ভবিষ্যতে এমন ভুল আর কখনো হবে না বলে ক্ষমা প্রার্থনা করেন।স্থানীয়রা জানান, বিষয়টি সামাজিকভাবে মীমাংসা করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা যাতে আর না ঘটে সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক করা হয়েছে।