
ঘন কুয়াশার কারণে আরিচা-কাজিরহাট ও পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ রয়েছে। ফলে কনকনে শীতের মধ্যে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন যাত্রী ও যানবাহন চালকরা। বিআইডব্লিউটিসি সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সন্ধ্যার পর থেকেই পদ্মা-যমুনা নদী অববাহিকায় ঘন কুয়াশা পড়তে শুরু করে। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কুয়াশার ঘনত্ব বৃদ্ধি পায়। একপর্যায়ে নৌপথ দৃষ্টিসীমার বাইরে চলে গেলে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ২টা ৪০ মিনিট থেকে আরিচা-কাজিরহাট নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ রাখা হয়। এ সময় ‘চিত্রা’ নামের একটি ফেরি যাত্রী ও যানবাহন নিয়ে মাঝনদীতে নোঙর করে থাকতে বাধ্য হয়। অন্য ফেরিগুলো ঘাটে বেঁধে রাখা হয়। এদিকে, পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ৩টা থেকে ঘন কুয়াশার কারণে ফেরি সার্ভিস বন্ধ রয়েছে। এ সময় ‘কেরামত আলী’ ও ‘বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর’ নামের দুটি ফেরি যাত্রী ও যানবাহন বোঝাই অবস্থায় মাঝনদীতে নোঙর করে রয়েছে।
এ ছাড়া পাটুরিয়া ঘাটে ‘শাহ পরান’, ‘এনায়েতপুরী’, ‘ভাষা শহীদ বরকত’ ও ‘বিএস ডা. গোলাম মাওলা’সহ চারটি ফেরি পন্টুনের সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়েছে। দৌলতদিয়া ঘাটে ‘বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন’, ‘শাহ মখদুম’ ও ‘হাসনা হেনা’ নামের তিনটি ফেরি ঘাটে নোঙর করে রাখা হয়েছে। আরিচা আঞ্চলিক কার্যালয়ের ব্যবস্থাপক সালাম হোসেন জানান, ঘন কুয়াশার কারণে নৌপথ দৃষ্টিসীমার বাইরে চলে যাওয়ায় ফেরি চলাচল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। দুর্ঘটনা এড়াতে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত থেকে আরিচা-কাজিরহাট ও পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। কুয়াশা কেটে গেলে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।