বিশেষ প্রতিনিধি | খুলনা
খুলনা-৩ আসনের এক জামায়াত প্রার্থীর বিরুদ্ধে পরিচয় জালিয়াতি ও নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ওই আসনের একজন সচেতন ভোটার। অভিযোগে বলা হয়, খুলনা-৩ আসনের প্রার্থী মাহফুজুর রহমান তার নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যবহৃত ব্যানার, পোস্টার, লিফলেট ও হ্যান্ডবিলে নিজেকে ‘অধ্যাপক’ হিসেবে পরিচয় দিচ্ছেন। তবে নির্ভরযোগ্য সূত্র এবং তার কর্মস্থল থেকে জানা গেছে, তিনি বর্তমানে একটি মাদ্রাসার গণিত বিভাগে ‘সহকারী অধ্যাপক’ হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। অভিযোগকারী রাজীব খান দাবি করেন, সহকারী অধ্যাপক হওয়া সত্ত্বেও নিজেকে পূর্ণাঙ্গ অধ্যাপক হিসেবে উপস্থাপন করা ভোটারদের বিভ্রান্ত করার শামিল।
তার মতে, শিক্ষা সংক্রান্ত পদবী নিয়ে ভুল তথ্য উপস্থাপন একজন প্রার্থীর সততা ও নৈতিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে।
লিখিত আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, এই কর্মকাণ্ড নির্বাচন কমিশনের গেজেটভুক্ত আচরণবিধির ১৬ ধারার একাধিক উপধারা ভুল তথ্য প্রদান, নির্বাচনী স্বার্থে বিভ্রান্তিকর প্রচার এবং সত্যতা যাচাই ব্যতিরেকে প্রচারণার পরিপন্থী, যা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এমতাবস্থায় অভিযোগকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে অভিযুক্ত প্রার্থীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। পাশাপাশি ভ্রান্ত পদবী সম্বলিত সব ধরনের প্রচারণা সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করারও অনুরোধ করা হয়। এ বিষয়ে অভিযুক্ত প্রার্থীর বক্তব্য জানতে চেষ্টা করা হলেও প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তার কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।