সর্বশেষ:

বটিয়াঘাটায় নির্বাচন -পরবর্তী সহিংসতা: ছয়জন রক্তাক্ত জখম

Facebook
Twitter
LinkedIn

বিশেষ প্রতিনিধি :

খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলার সুরখালী ইউনিয়নের বুনারাবাদ এলাকায় নির্বাচন পরবর্তী বিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনায় অন্তত ছয় জন আহত হয়েছে।আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে। তারা বর্তমানে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১১ ও ১২ নম্বর সার্জারি ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে বুনারাবাদ খেয়া ঘাটের পশ্চিম পাশে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হঠাৎ করে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং একপর্যায়ে তা সংঘর্ষের রূপ নেয়। গভীর রাতে এলাকাবাসী আহতদের উদ্ধার করে রক্তাক্ত অবস্থায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। আহত আব্দুল মজিদ শেখ বলেন, তারা বাড়ির সামনে একটি দোকানে বসে কথা বলছিলেন। এ সময় একদল যুবক এসে অতর্কিত হামলা চালায় তাদের উপর। তার অভিযোগ, হামলাকারীরা বিএনপি’র কিছু কর্মী সমর্থক।

ফারুক শেখ বলেন, তিনি নিজেও বিএনপি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত এবং ৯ নম্বর ওয়ার্ড কমিটির সহ-সভাপতি। তার দাবি একই ওয়ার্ডের সভাপতি হুমায়ুন কবির মোল্লার নেতৃত্বে হামলাটি সংঘঠিত হয়। এ ঘটনায় অভিযুক্তদের বক্তব্য তাৎক্ষণিক পাওয়া যায়নি। আহত সেখ ফরিদ জানান, কয়েকদিন আগে ইফতার আয়োজনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় কিছু যুবকের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়। সেই ঘটনার জের ধরে এই হামলা হয়েছে বলে তার ধারণা। তিনি আরো অভিযোগ করেন, এলাকায় দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে কাজ করেছেন বলে তাদের সন্দেহ করা হয়েছে। সে কারণেই তাদের লক্ষ্য করে এ হামলা চালানো হয়। বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পরিচয় দেওয়া মোঃ রেজাউল করিম বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হয়েছে যে, আমরা বাইরে থেকে বিএনপি করলেও ভেতরে ভেতরে জামায়াতের পক্ষে কাজ করেছি, এই সন্দেহ থেকেই আমাদের উপর হামলা চালানো হয়েছে। ভুক্তভোগীদের দাবি, এলাকার বিএনপি’র হুমায়ুন কবির ও হাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র ও লাঠি সোটা নিয়ে আমাদের উপর হামলা চালায়। এতে আমরা গুরুতর রক্তাক্ত জখম ও আহত হই। আহত ৬ জনের মধ্যে তিনজন জামায়াতপন্থী এবং তিনজন বিএনপি রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে জানা গেছে।

আহতরা হলেন, মারুফ শেখ, জামাল শিকদার, আব্দুল মজিদ শেখ, রেজাউল করিম, নজরুল শেখ ও কামরুল শিকদার। এ বিষয়ে বটিয়াঘাটা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খন্দকার হাফিজুর রহমান বলেন, ঘটনার বিষয় এখনো কোনো পক্ষ থানায় ও লিখিত অভিযোগ দেয়নি। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ ঘটনায় এলাকা উত্তেজনা বিরাজ করছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ সতর্ক অবস্থান রয়েছে বলে জানা গেছে।

Facebook
Twitter
LinkedIn

সর্বশেষ খবর

turan hossain rana