আবু-হানিফ,বাগেরহাট প্রতিনিধিঃ
বাগেরহাটের চারটি আসনে এবার ২৩ জন প্রার্থী নির্বাচন করেছিলেন। আরপিও অনুযায়ী মোট বৈধ ভোটের সাড়ে ১২ শতাংশ না পেয়ে ১৪ জন প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন।চারটি আসনে জামায়াত-বিএনপি ও একজন স্বতন্ত্র পার্থী ছাড়া সকলের জামানত সরকারের কোষাগারে জমা হবে। সংখ্যার দিক দিয়ে অর্ধেকের বেশি এবং শতাংশের হিসেবে ৬০ দশমিক ৮৬ শতাংশ প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন।
এর মধ্যে বাগেরহাট-১ আসনে ৬জন, বাগেরহাট-২ আসনে ১ জন, বাগেরহাট-৩ আসনে ৩ জন এবং বাগেরহাট-৪ আসনে ৪ জন জামানত হারিয়েছেন।বাগেরহাট-১ আসনে মোট বৈধ পড়েছে ২ লক্ষ ৪৪ হাজার ৮৭১টি। এই আসনে ৮জন প্রার্থীর মধ্যে ৬জন প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন। এরা হলেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপি নেতা এমএএইচ সেলিম (ঘোড়া ৫ হাজার ২৮৩ ভোট), বিএনপির আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থী মাসুদ রানা (ফুটবল৬ হাজার ৪৬৭), বাংলাদেশ মুসলিম লীগ-বিএমএল‘র আঃ সবুর শেখ (হাত-পাঞ্জা-১৬৭ ভোট), বাংলাদেশ মুসলিম লীগের এমডি শামসুল হক (হারিকেন-২৪২ভোট), আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি)‘র মোঃ আমিনুল ইসলাম (ঈগল ২৯১ ভোট) ও জাতীয় পার্টির স,ম, গোলাম সরোয়ার (লাঙ্গল প্রতীক ৫৭১ ভোট)।
বাগেরহাট-২ আসনে চারজন প্রার্থীর মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী এ্যাড. আতিয়ার রহমান (হাতপাখা ৩ হাজার ৩১৩ ভোট) পেয়ে জামানত হারিয়েছেন। এই আসনে মোট বৈধ ভোট পড়েছিল ২ লক্ষ ৩৭ হাজার ৩৯৬।
অন্যদিকে বাগেরহাট-৩ আসনে ৫জন প্রার্থীর মধ্যে মধ্যে তিনজন প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন। এরা হলেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপি নেতা এম এ এইচ সেলিম (ঘোড়া ৪২৫ ভোট), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী শেখ জিল্লুর রহমান(হাতপাখা ৩ হাজার ৬৪০) ও জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি‘র মোঃ হাবিবুর রহমান মাস্টার (তারা ৩৪৯ ভোট)। এই আসনে মোট বৈধ ভোট পড়েছিল ১ লক্ষ ৯০ হাজার ৬২৫।
এছাড়া বাগেরহাট-৪ আসনে ৬জন প্রার্থীর মধ্যে ৪জনই জামানত হারিয়েছেন। এরা হলেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপি নেতা কাজী খায়রুজ্জামান শিপন (হরিণ ২২৯ ভোট)। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মোঃ ওমর ফারুক (হাতপাখা ৮ হাজার ৫০১ ভোট), জাতীয় পার্টির প্রার্থী সাজন কুমার মিস্ত্রি (লাঙ্গল ১ হাজার ১৪৭ ভোট, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি‘র মোঃ আঃ লতিফ খান (তারা ৩১৫ ভোট)।
এর মধ্যে কাজী খায়রুজ্জামান শিপন প্রচার-প্রচারণা শেষে ১০ ফেব্রুয়ারি সংবাদ সম্মেলন নিজের ও দলীয় কর্মীদের জীবনের শঙ্কার কথা জানিয়ে নিজের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দীতা না করার ঘোষনা দিয়েছিলেন।
বাগেরহাট জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মুহাম্মদ আবু আনছার এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।