২২ জুলাই, ২০২৪

সর্বশেষ:

সর্বশেষ:

বিশ্ব নদী দিবস উপলক্ষে র‌্যালী-আলোচনা সভা

বিশ্ব নদী দিবস উপলক্ষে র‌্যালী-আলোচনা সভা

বিশ্ব নদী দিবস উপলক্ষে র‌্যালী-আলোচনা সভা
Facebook
Twitter
LinkedIn

তপন পাল, কপিলমুনিঃ

কপোতাক্ষ নদের স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন পরিবেশবাদি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। বিশ্ব নদী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত র‌্যালী শেষে আলোচনা সভায় তারা বলেছেন, সরকার একের এক প্রকল্প নিলেও কপোতাক্ষ নদকে প্রবাহমান করা যায়নি। বরং দখল ও দুষণে নদটি প্রতিনিয়ত সংকুচিত হচ্ছে। তাই কপোতাক্ষ বাঁচাতে সরকারি বেসরকারি সংস্থাগুলোর পাশাপাশি জনগণকে সচেতন হতে হবে।

আজ রবিবার খুলনা জেলার পাইকগাছায় অনির্বাণ লাইব্রেরি মিলনায়তনে কর্মসূচির আয়োজন করে ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশ, জাতীয় নদী জোট, সুন্দরবন ও উপকূল সুরক্ষা আন্দোলন এবং সচেতন সংস্থা। ‘নদী একটি জীবন্ত সত্তা, আসুন এর অধিকার নিশ্চিত করি’ এই শ্নোগানকে সামনে রেখে অনুষ্ঠিত কর্মসূচির উদ্বোধন করেন অনির্বাণ লাইব্রেরির সাবেক সভাপতি প্রবীণ শিক্ষক সমীরণ দে। সচেতন সংস্থার সভাপতি বিদ্যুৎ বিশ্বাসের সভাপতিত্বে সভায় বক্তৃতা করনে আলোচনায় অংশ নেন মাহমুদকাটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নীলিমা ঢালী, হরিঢালী হাই স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য মানিক ভদ্র, অনির্বাণ লাইব্রেরির সাধারণ সম্পাদক প্রভাত দেবনাথ ও কল্যাণ সম্পাদক বাসুদেব ভদ্র, হরিঢালী ইউপি সদস্য স্মিতা মণ্ডল, সাবেক ইউপি সদস্য কুমারেশ দে ও ডা. সন্তোষ দাশ, পল্লী চিকিৎসক ডা. পিন্টু বিশ্বাস, উন্নয়ন কর্মী অমর ঘোষ, সুন্দরবন ও উপকূল সুরক্ষা আন্দোলনের সংগঠক রিয়াদ হোসেন, নদী কর্মী অসীম দেবনাথ ও আলাউদ্দিন মোড়ল।

সভায় বক্তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের পাশাপাশ দখল ও দূষণে সারাদেশের নদ-নদীগুলো মারা যাচ্ছে। এরপর অপরিকল্পিত শিল্পায়ন, আবাসন, সেতু ও কালভার্ট এবং অপরিকল্পিত চিংড়ি চাষের কারণে সুন্দরবন অঞ্চলের নদ-নদীর অস্তিত্ব বিলীন হতে চলেছে। এতে বাংলাদেশ একদিকে পরিণত হচ্ছে শুষ্ক ভূমিখণ্ডে, অন্যদিকে এসব মৃতপ্রায় নদ-নদীর পানি উপচে সৃষ্টি হচ্ছে জলাবদ্ধতার। ফলে সাধারণ মানুষের জীবনে ধেয়ে আসছে নানা ধরনের সংকট। জীবিকা হারিয়ে অনেক মানুষ নদী পাড় ছাড়তে বাধ্য হচ্ছে। আবার পরিকল্পিত নদী শাসনের অভাবে নদী ভাঙ্গনে প্রতি বছরই অসংখ্য মানুষ বাস্তুচ্যুত হচ্ছে।
সভায় বক্তারা বলেন, মহামান্য হাইকোর্ট বলেছে ‘নদী একটি জীবন্ত সত্তা’। তাই নদী-খালকে যারা হত্যা করছে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। ক্ষমতার প্রভাবে মানুষ নদী দখল করছে। নদী আমাদের জনজীবনের সাথে সম্পৃক্ত। নদী দখলদারদের বিরুদ্ধে সবাইকে সোচ্চার হতে হবে। নদীসহ উপকূলের প্রাণ-প্রকৃতি সুরক্ষায় সকলকে ঐক্যবদ্ধ ভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তারা।

Facebook
Twitter
LinkedIn

সর্বশেষ খবর

abu sufian
dainikbd-ads
Arup Juarder Khulna Batiaghata